‘একটু পরেই স্টেজে উঠতে হবে। আমি ঠিকঠাক প্রেজেন্টেশন দিতে পারবো তো?’ কিংবা, ‘ইন্টারভিউ তো একটু পরেই, কী হবে ভেতরে?’ পরিস্থিতিগুলো অনেকটা পরিচিত লাগছে, তাই না? খুব সম্ভবত তুমি এই ব্লগটি পড়ছো কারণ, nervousness-এর শিকার তুমি কয়েকবার হয়েছো। এবং, তুমি কাজের প্রতি nervous না থেকে confident থাকতে ইচ্ছুক। আমাদের সবার, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সাধারণ জীবনে এমন কতগুলো মুহূর্ত চলে আসে যখন এক প্রকার ভয়ের উদ্দীপনা বেশ জোরালো অবস্থায় কাজ করে। (বলে রাখা ভালো যে, এই nervousness একটি উদ্দীপনা ছাড়া আর কিছুই নয়। কেন, তা একটু পরে বুঝিয়ে বলছি।)
ধরো, একটু পরেই পরীক্ষার হলে ঢুকতে যাওয়া, বা ইন্টারভিউ দিতে হচ্ছে, প্রেজেন্টেশনের খুব একটা সময় নেই, কিংবা স্কুল-কলেজে উপস্থিতভাবে কোন বক্তব্য দেওয়ার আগ মুহূর্তে, বিতর্ক করার আগে- এসব সময়ে আমরা প্রচুর ঘামতে শুরু করি, সবচেয়ে ভয়াবহ সম্ভাবনাটির কথা ভাবি, আমাদের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, তাই না?
প্রথমে বুঝে নেয়া উচিত আমাদের nervous হবার কারণ। মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, আমাদের অচেতন মন (unconscious mind)কোন কিছু ঘটে যাওয়ার আগেই তার ভেতরকার সম্ভাবনাময় বিপদকে খানিকটা অনুভব করতে পারে। ফলে আমরা ঐ বিপদের আশঙ্কাকে বুঝতে পারি। যেমন, ‘কী হবে যদি স্টেজে গিয়ে যা বলার তা ভুলেই যাই?’ অথবা, ‘পরীক্ষা অনেক বেশি কঠিন হলে কী করব?’- এই চিন্তাগুলো একটি বিপদের আশঙ্কার উপর ভিত্তি করে অনুমান করা হচ্ছে। যা বাস্তব নয়, যা এখনও ঘটেনি, তা-ই আমাদের মন সত্য বলে ধরে নিচ্ছে আগে থেকেই।
Nervousness-ঘটিত উদ্দীপনা প্রত্যেকটি মানুষের হয় এবং এটা খুবই স্বাভাবিক একটা শারীরিক-মনস্তাত্ত্বিক ক্রিয়া। একে অস্বাভাবিক ভাবা, অথবা ‘এই উদ্দীপনা হতে দেয়া যাবে না’ বলে মন স্থির করে নেয়া উচিত নয়। এতে কোন সমাধান হবে না।
তবে কেমন হতো, যদি এই nervousness দ্বারা আমরা আর ক্ষতিগ্রস্ত না হতাম? চলো, তবে দেখে নিই nervousness-কে জয় করার ৭টিউপায়:
১. নিজের কল্পনার শিকার হবে না:
এখন আমরা জানি কীভাবে আমাদের অচেতন মনের স্বাভাবিক ক্রিয়া আমাদের nervous হবার উদ্দীপনাগুলো দেয়। যখন আমরা অনেক কিছুই আগে থেকে অনুমান করে নিচ্ছি, তখন এই অনুমানকেই আসল ফলাফল হিসেবে ধরে নিলে খুব বড় ভুল করা হবে।
যেমন, একটা ইন্টারভিউ-এর উদাহরণই দেয়া যাক, x কিছুক্ষণ পরেই ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছে এবং অনুভব করছে যে তার ইন্টারভিউটি কোন কারণে মনের মত হবে না, সে কোন-না-কোন ভুল করে বসবে, সে বাদ পড়ে যাবে, ইত্যাদি। তখন ঐ ভাবনাকে (যা সত্যি নয়) যদি x সত্যি বলেই ধরে নেয়, তবে দেখা যাবে সে তার অজান্তেই nervous হয়ে যাবে এবং সত্যি সত্যিই তার ইন্টারভিউটি ভাল হবে না। তার মানে x কেবলই তার এক বিমূর্ত কল্পনার শিকার হচ্ছে।
তাই বুঝে নিতে হবে যে nervousness-এর উদ্দীপনার কারণে দুশ্চিন্তা শুধুই একটি অনুমান মাত্র, এবং এই অনুমানকে যৌক্তিক মনে করার মধ্যে কোন ভিত্তি নেই। এই দুশ্চিন্তা তোমার অজান্তেই তোমার মনকে নার্ভাস করে ফেলবে। তাই এখানে সবচেয়ে যৌক্তিক কাজ হচ্ছে দুশ্চিন্তায় অগোছানো ভাবনাগুলোকে আবার পরিষ্কারভাবে গুছিয়ে নেয়া। আর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের এবং নিজের প্রস্তুতির উপর বিশ্বাস রাখা, আর তার ফলাফল (তা যা-ই হোক না কেন) ইতিবাচক দৃষ্টিতে মেনে নেয়ার সাহসিকতা রাখা।
২. পরিস্থিতি বুঝে শান্ত হওয়া:
কী, শুনতে অবাক লাগছে, তাই না? হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা অ্যালিসন ব্রুকস-এর গবেষণামতে, যেকোনো কঠিন মুহূর্তে পরিস্থিতিটি না বুঝেই শান্ত হবার অনরবত চেষ্টা করা মানে নিজের ভীতিকে বাড়িয়ে তোলা। কারণ, আমরা যখনই nervousness-এর উদ্দীপনাগুলো অনুভব করি, তখন আমাদের এটিকে জয় করার একটা সহজাত ধাপ হয়ে যায় বারবার মনকে শান্ত করার অনর্গল চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।
এখানে দ্রুতই শান্ত হয়ে যাবার সম্ভাবনা খুবই কম। মনে রাখা জরুরি- নিজের ওপর আরোপ করে কখনও মনকে শান্ত করা সম্ভব নয়। সুতরাং, পরিস্থিতিটিকে ভালো করে যাচাই করে নিতে হবে।
পাওয়ারপয়েন্ট এর ব্যাবহার এখন হবে সহজতর!
পাওয়ার পয়েন্টকে এখন আমাদের জীবনের অনেকটা অবিচ্ছদ্য একটা অংশ বলা যায়। ক্লাসের প্রেজেন্টেশান বানানো কি বন্ধুর জন্মদিনের ব্যানার। সবক্ষেত্রেই এর ব্যাপক ব্যাবহার।
৩. কয়েকবার জোরে শ্বাস নাও:
নিজেকে শান্ত করার এই ধ্রুপদী বা ক্লাসিক্যাল পদ্ধতি সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। তবে এর কার্যকারিতা সত্যিই বেশ আশ্চর্যজনক। সাধারণ শ্বাসপ্রশ্বাস আমাদের বেঁচে থাকার জন্য জরুরি। কিন্তু, কী হয় যখন আমরা জোরে শ্বাস নিই?
যখনই nervousঅনুভব করবে, প্রথমত নাক দিয়ে দীর্ঘশ্বাস নেবে। কিছুক্ষণ ধরে রেখে তা মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে ছেড়ে দেবে। এটা ক্রমাগত কয়েকবার করবে। এতে আমাদের রক্তচলনের ভেতরে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে আমাদের মস্তিষ্ক থেকে এন্ডোরফিন নির্গত হয়। এই এন্ডোরফিন আমাদের শারীরিক ব্যথা, দুশ্চিন্তা এবং নার্ভাসনেস সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘশ্বাস নিলে মন শান্ত হয়ে আসবে কিছুক্ষণের মধ্যেই।
There is so much I feel
Is it just getting wasted
I have so much to say
Is there nobody listening
Is this all just a dream
Am I really living
Then I feel Allah is near
And then I feel no fear
And then I call His name
And I know Allah won't forsake me
Though I may fall, I won't fail
And I know nothing can break me
I carry so many tears
To build me an ocean
And on a night that is clear
I surrender emotion
I know my Allah is near
And my heart is wide open
So sail on, through this storm
Sail on, to the dawn
And then I call His name
And I know Allah won't forsake me
Though I may fall, I won't fail
And I know nothing can break me
And then I'm Free
Free
So many fears that haunt me
Wanna run away
I try…
Source: Musixmatch
Songwriters: Zain Rashid

0 Comments